সর্বোচ্চ ডিগ্রি নেয়ার পরও প্রতিবন্ধী সোমার ভাগ্যে জুটছে না একটি চাকরি

পিতা ও চার বোনও শারিরীক প্রতিবন্ধী

আপডেটের সময়ঃ জুন ২৩, ২০২১

দরিদ্র পরিবারে জন্ম প্রতিবন্ধী সোমা আক্তারের। মুগুর পা (ক্লাব পা) নিয়ে জন্ম হলেও অর্থনীতিতে এম এ এবং নিয়েছেন এমএড ডিগ্রিও। শুধু সোমা নয় তার পিতাও একই ধরণের প্রতিবন্ধী। এছাড়া একই অবস্থা তার অপর ৪ বোনের। মা রাশেদা বেগম ব্যতীত পরিবারের ৬ জনই প্রতিবন্ধী। সোমা চকবাজারের জয়নগর ২ নম্বর গলির স্থায়ী বাসিন্দা আমির আহমদের কন্যা।

সোমা কাপাসগোলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে করেছেন মাস্টার্স। এরপর নিয়েছেন এমএড ডিগ্রিও। শিক্ষায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি নেয়ার পরও সোমার ভাগ্যে জুটেনি একটি চাকরি। ২০১২ সাল থেকে সোমা চাকরির জন্য আবেদন করে আসছেন। এখন সরকারি চাকরির বয়সও চলে গেছে। সোমা এখন একটি চাকরির জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।

জানা গেছে, সোমা একেতো প্রতিবন্ধী তার উপর আছেন আর্থিক অনটনে। এতদসত্ত্বেও তারা দমে যাননি। আঁকড়ে রাখেন শিক্ষাকে। সোমার চার বোনের মধ্যে বড় ২ বোন ডিগ্রি পাস। অর্থের অভাবে ২য় বোনটি এসএসসি পাশের পর আর এগুতে পারেননি। ছোট বোন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে অনার্স। সোমার বড় তিন বোনের বিয়ে হয়ে গেছে। সোমার মা রাশেদা বেগম বেসরকারি হাসপাতালে আয়ার কাজ করেন। পিতা আমির আহমদ করতেন দারোয়ানের চাকরি। কিন্তু স্ট্রোক হওয়ায় তিন বছর যাবৎ তিনি বিছানায় বলে জানা গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।