বদলী আতংকে চসিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা


আপডেটের সময়ঃ আগস্ট ২২, ২০২০


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বদলী আতংক বিরাজ করছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও আতংক বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন শাখায় বদলী করা হয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের । তবে চসিক বলেছেন, চসিকের কাজে নতুন গতিশীলতা আনতে এই রদবদল।

গত ৬ আগষ্ট খোরশেদ আলম সুজন চসিক প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে  বিভিন্ন বিভাগে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বেশকয়েক দফায় রদবদল হয়েছে। সর্বশেষ গত ১৯ আগষ্ট নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের পরিছন্নতা বিভাগের ৮১ জন পরিদর্শক ও সুপাভাইজারকে বদলি করা হয়েছে। একযোগে রদবদল করা হয়েছে ৪১টি ওয়ার্ডের এই ৮১ জন পরিছন্নতা পরিদর্শক ও সুপারভাইজার। বর্জ্য অপসারণ কাজে নতুন গতি আনতে এই রদবদল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চসিক কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, ১৯ আগস্ট চসিকের সচিব আবু শাহেদ চৌধুরীর সাক্ষরিত অফিস আদেশের মাধ্যমে ৪১ ওয়ার্ডের পরিছন্ন বিভাগের দুটি পদে এই রদবদল করা হয়। তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে বদলি হওয়া কর্মস্থলে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

চসিকের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা যায়,  বদলিকৃতদের মধ্যে অন্তত ১০ জন পরিচ্ছন্ন পদে এবং বাকি ৭১ জন সুপারভাইজার পদে রয়েছেন। বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করে চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা জানান, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের এসব পদে অনেকদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন সংশ্লিষ্ট। তাই কাজের নতুন গতি আনতে এই রদবদল করা হয়েছে।

কিন্তু এমন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে চসিক কর্মকর্তারা বলছেন,  প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে  নতুন গতি আনার স্বার্থে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দায়িত্ব পুনঃবণ্টন করা হচ্ছে।

এদিকে গত ১৭ আগষ্ট নগরের ৪১ ওয়ার্ডের সচিবসহ বিভিন্ন পদের ৪৮জনকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। চসিক কর্মকর্তারা বলছেন চসিকের কাজে নতুন গতিশীলতা আনতে এই রদবদল। ১৭ আগস্ট দুপুরে চসিকের সচিব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ রদবদল করা হয়।

এর আগে গত ১২ আগস্ট একদিনেই পৃথক দুই অফিস আদেশে চসিকের রাজস্ব বিভাগের ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং ভূ-সম্পত্তি শাখা ও প্রকৌশল শাখার মোট ১৮ জন  কর্মকর্তা-কর্মচারিকে একযোগে বদলি করা হয়েছিল।

এরপর গত ১৩ আগস্ট চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডের দায়িত্ব চসিকের তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ভাগ করে দিয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করেছিলেন চসিক প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দোহা। এতে গুঞ্জন উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্ম-মৃত্যু এবং ওয়ারিশ সনদপত্র সংগ্রহের মত গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হাতে পেতে সৃষ্টি হবে নতুন জটিলতা।

এমন শঙ্কার বিপরীতে চসিকের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতে স্থানীয় ওয়ার্ড সচিবদের সাথে মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দৃঢ় সেতুবন্ধনের উপর জোর আরোপ করার কথা ভাবছে চসিক।

নিজস্ব প্রতিবেদক,ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।