চমেকের ভেনম রিসার্চ সেন্টারে ঠাঁই হলো গাজীপুরে জন্ম নেয়া ৪৪ সাপের বাচ্চার

ভেনম রিসার্চ সেন্টার সাপ বিষয়ক গবেষণাগার

আপডেটের সময়ঃ জুন ২৮, ২০২১

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ভেনম রিসার্চ সেন্টারে অবশেষে ঠাঁই হলো গাজীপুরে জন্ম নেওয়া ৪৪ সাপের বাচ্চার।

যশোরে সদর থানার গাঁওঘরা গ্রামে এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে পাওয়া এক খৈয়া গোখরাক সাপকে মেরে ফেললেও সেই সাপের ৪৭টি ডিম পাওয়া যায়। পরে গাজীপুরের শেখ কামাল ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারে বিশেষ প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনায় গত ২০ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত ৪৪টি বাচ্চার জন্ম হয়। তিনদিন সেখানে রাখার পর শনিবার বাচ্চাগুলো চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভেনম রিসার্চ সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। ওই ভেনম রিসার্চ সেন্টারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী নানা প্রজাতির সাপ পালনের পাশাপাশি বিষ সংগ্রহ করা হয়। বিশেষ করে ভেনম রিসার্চ সেন্টার সাপ বিষয়ক গবেষণাগার। প্রতিষেধক তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণার সুবিধার্থে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে দেশের একমাত্র সাপের অত্যাধুনিক গবেষণাগার।

গাজীপুরের শেখ কামাল ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের হারপেটোলজিস্ট সোহেল রানা জানান, গত ৩১ মে যশোর সদর থানার গাঁওঘরা গ্রামের এক ব্যক্তি তার বসত বাড়ির কয়েকটি মেহগনি গাছ বিক্রি করেন। এই মেহগনি গাছ কাটার পর গাছের গুঁড়ির নিচে থেকে একটি গোখরা সাপ বের হয়ে আসে। এসময় উৎসুক জনতা সাপটিকে মেরে ফেলে। পরবর্তীতে একটি গাছের গুঁড়ির নিচের মাটির ভিতর গোখরা সাপের ডিম পাওয়া যায়। এসময় উৎসুক জনতা ডিমগুলো নষ্ট করতে চায়। কিন্তু রক্সি নামের এক বিশ্ববিদ্যালয়  ছাত্র তা নষ্ট করতে বাধা দেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক এ.এস.এম জহির উদ্দিন আকনকে বিষয়টি দ্রুত অবহিত করেন। পরে ডিমগুলো উদ্ধার করে গাজিপুর শেখ কামাল ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারে পাঠানো হয়। পরে বিশেষ ব্যবস্থায় ডিমগুলো ফুটানোর ব্যবস্থা শুরু করা হয়।

সোহেল রানা বলেন, বন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শেখ কামাল ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টার পরিচালকের সঙ্গে আলোচনা করে বাচ্চাগুলোকে চট্টগ্রামের ভেনম রিসার্চ সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।