চট্টগ্রামে ১৪ দিন পর অপহৃত ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী উদ্ধার


আপডেটের সময়ঃ অক্টোবর ২৭, ২০২০


চট্টগ্রাম মহানগরীর পাথরঘাটা একটি ভাড়া বাসা থেকে ফুসলিয়ে ৭ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভনে ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক বখাটেকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ওই শিক্ষার্থীর মায়ের কৌশলে ফিরিঙ্গি বাজারের ওই বখাটেকে বহদ্দারহাট থেকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।

এর আগে ওই শিক্ষার্থীকে ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগে মেয়েটির মা গত ১৩ অক্টোবর কোতোয়ালী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী (নং-১১৪০) দায়ের করেন। পরের দিন ওই ডায়েরীর পরিপ্রেক্ষিতে একই থানায় ফিরিঙ্গী বাজারের মৃত দুধু মিয়ার পুত্র আব্দুর শুক্কুর জনিকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, পাথরঘাটায় মায়ের সাথে বসবাস করা ওই শিশু শিক্ষার্থী পাথরঘাটা মেনেকা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত। শিক্ষার্থীর মা নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চাকুরী করেন। দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষার্থীর মা চাকুরীতে থাকার সুবাধে ওই বখাটে শিক্ষার্থীটিকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় গত ১৩ অক্টোবর শিক্ষার্থীর মা চাকুরীতে গেলে শিক্ষার্থীকে বখাটে আব্দুর শুক্কুর জনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাসা থেকে বের করে নিয়ে যায়। শিক্ষার্থীর মা ওই দিন চাকুরী থেকে এসে তাকে না পেয়ে থানায় ডায়েরী ও পরের দিন ১৪ অক্টোবর মামলা কারেন। মামলায় আবদুর শুক্কুর জনিকে আসামী করা হয়। পরে মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় কোতোয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক পলাশকে। পলাশ দুই তিন দিন আশ্বাস দিয়ে অবশেষে ছুটিতে চলে যায়। এদিকে শিক্ষার্থীর উদ্ধারে তার মা পাগলের মত দিকবিদিক ছুটাছুটি করে। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর মা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বখাটে আবদুর শুক্কুর জনির এক বন্ধুর সাথে পরিচিত হয়। পরে সে বন্ধু শিক্ষার্থীর মাকে আশ্বস্থ করে মঙ্গলবার শুক্কুরকে কৌশলে বহদ্দারহাট নিয়ে আসার। এর আগ থেকে সকালে সবাই শুক্কুরের অপেক্ষায় বসে থাকে। দুপুর দুইটার দিকে শুক্কুর মিয়া বহদ্দারহাট উপস্থিত হলে এলাকার লোকজন গণধোলাই দিয়ে মামলার পরিপ্রেক্ষিকে কোতোয়ালী থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।