চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তা মোরশেদের আত্মহননের নেপথ্যে জড়িতদের বিচার চান স্ত্রী


আপডেটের সময়ঃ এপ্রিল ১১, ২০২১


চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুল মোরশেদ চৌধুরীকে আত্মহত্যায় বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর স্ত্রী ইশরাত জাহান ।

রোববার (১১ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এটা আমার দৃষ্টিতে একটা মার্ডার। ফোর্স ডেথ। আমি আমার স্বামীর আত্মহননের নেপথ্যে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার চাই।

সংবাদ সম্মেলনে তাঁর স্ত্রী লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, আমার স্বামীর ফুফাতো ভাই জাবেদ ইকবাল চৌধুরী, পারভেজ ইকবাল চৌধুরী ও পাঁচলাইশের সৈয়দ সাকিব নাঈম উদ্দীনের কাছে থেকে ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ব্যবসাসূত্রে ২৫ কোটি টাকা নেয় মোরশেদ। ২০১৮ সালের লভ্যাংশসহ তাদের পরিশোধ করা হয় ৩৮ কোটি টাকা। এরপর থেকে আরও টাকা দাবি করতে থাকে তারা। এ জন্য আমার স্বামীকে তারা ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে চাপ এবং হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। ২০১৮ সালের মে মাসে আমার স্বামীকে পাঁচলাইশের এম এম টাওয়ারে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে আরও ১২ কোটি টাকা বাড়তি তারা পায় উল্লেখ করে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়। স্বামী, আমার ও আমার মেয়ের পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয়। আজ পর্যন্ত তা ফেরত পাইনি। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় তখন কোনো মামলা নেওয়া হয়নি বলে ইশরাতের অভিযোগ।

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আবদুল মোরশেদ চৌধুরী গত বুধবার হিলভিউ আবাসিক এলাকার নাহার ভিলা নামের বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবার ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে মোরশেদ লিখেছেন, আর পারছি না। সত্যি আর নিতে পারছি না। প্রতিদিন একবার করে মরছি। কিছু লোকের অমানুষিক প্রেসার আমি আর নিতে পারছি না। প্লিজ, সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো। আমার জুমকে (মেয়ে) সবাই দেখে রেখো। আল্লাহ হাফেজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।