চট্টগ্রামে পোশাক শ্রমিককে ‘সংঘবদ্ধ’ ধর্ষণের অভিযোগ


আপডেটের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১


চট্টগ্রাম নগরীতে এক পোশাক শ্রমিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বন্দর থানা এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নগরের বন্দর থানার কাস্টম মোড় এলাকায় স্বামীকে বেঁধে ওই পোশাককর্মীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’র অভিযোগে গ্রেফতার তিন যুবকের দাবি, তারা জোরপূর্বক কোনও ধর্ষণ করেননি, টাকার বিনিময়ে উভয়ের সম্মতিতে এ কাজ করেছেন। মাত্র ২শ’ টাকা কম হওয়ায় পরে ভিকটিম তাদের ফাঁসিয়ে দিচ্ছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, ভোলার বেলুমিয়ার চর এলাকার মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে জামাল হোসেন (৩০), দৌলতপুর থানার চরপাতা এলাকার আবদুল জলিলের ছেলে মো. মানিক (২৪) ও ভেদুরিয়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে মো. মনির হোসেন (২০)।

ভিকটিমের অভিযোগের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার রাত ৯টায় ২৮ বছর বয়সী পোশাককর্মী ভিকটিম তার স্বামীর সঙ্গে একটি দোকান খোঁজার জন্য বের হন। রাতে কাস্টম মোড় এলাকায় ৩ যুবক তাকে একটি টঙের দোকানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে বেঁধে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে বলে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই নারী। পরে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। যদিও তার স্বামীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা ঘটনার পর থেকে।

সিএমপির বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার কীর্তিমান চাকমা জানান, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে শনিবার দিনভর বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তকে ধর্ষণের  গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই ধর্ষণের কথা স্বীকার করে বলছে, তারা গ্যাং রেপ করেনি। উভয়ের সম্মতিতে টাকার বিনিময়ে তারা এ কাজ করেছে। ১৫শ’ টাকার কন্ট্রাক্ট হয়েছিল পরে ২শ’ টাকা বাড়তি চেয়ে না পেয়ে ভিকটিম তাদের ফাঁসিয়ে দিল।

তিনি আরও বলেন, ভিকটিম চমেকের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে রয়েছে। তাকে ও তার স্বামীকে আনা হচ্ছে থানায়। পাশাপাশি আসামিদেরও মুখোমুখি করা হবে। ধর্ষণ হয়েছে নিশ্চিত কিন্তু এটা কি জোর পূর্বক গ্যাং রেপ নাকি কন্ট্রাক্ট রেপ তা নিশ্চিত হতে হবে। এরপর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।