একটি অশুভ মহল সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়: মহানগর আ’লীগ


আপডেটের সময়ঃ নভেম্বর ৪, ২০২০


বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় এদেশকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র শুরু হয় এবং তিনি তা ঠেরও পেয়েছিলেন। যখন তিনি ষড়যন্ত্র নির্মূলে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেন তখনই তাকে ষড়যন্ত্রকারীরা স্বপরিবারে হত্যা করে। তারপর থেকে এদেশে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন শুরু হয়। মুক্তিযুদ্ধের সকল অর্জন একে একে বির্সজন দিয়ে এদেশকে পাকিস্থানি ভাবধারায় পরিচালিত করা হয়। জিয়া-এরশাদ-খালেদা জিয়া এভাবে পাকিস্থানি কায়দায় দেশ শাসন করেছেন। আর আমরা ছিলাম নিজ দেশের পরবাসী। এখন ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতি মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। এই উন্নত শির আর কখনো অবনত হবে না।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জেল হত্যা দিবস উপলেক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৭৪ সালে কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করে একাত্তরের পরাজিত শক্তির ইন্ধনে যে সিন্ডিকেট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পথ প্রশস্থ করেছিল তারই ধারাবাহিকতায় এখনও সেই অশুভ সিন্ডিকেট দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নিত্য ভোগ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। পর্যাপ্ত নিত্য ভোগ্যপণ্য মজুদ আছে, তবুও এগুলোর দাম এত উর্ধ্বগতি কেন? এতে বুঝা যাচ্ছে উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক চাকাকে রুদ্ধ করে দিতে একটি অশুভ মহল সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ৩ নভেম্বর একটি নিষ্ঠুর ট্র্যাজেডি। তবে এতে জাতীয় চার নেতা প্রমাণ করেছেন আর্দশিক রাজনীতির মৃত্যু নেই। তারা রক্ত দিয়ে ষড়যন্ত্রের চোরাবালিতে পা রাখেননি এবং শহীদ হয়েছেন। সর্বোপরি তারা বঙ্গবন্ধুর মত ও পথকে কলঙ্কমুক্ত করেছেন।

মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, যারা মনে করেছিল বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করলেই বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব মুছে যাবে এবং এদেশ পাকিস্থানি কনফেডারেশন ভুক্ত হবে। কিন্তু তাদের সে কুমতলব হাসিল হয়নি বরং তারাই ইতিহাসের আস্থাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।

এর আগে সকালে দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান শেষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন দারুল ফজল মার্কেট মসজিদের পেশ ইমাম ফজল কবির।

মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু। উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সুনীল কুমার সরকার, ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, উপদেষ্টা শফর আলী, শেখ মোহাম্মদ ইছহাক, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য নোমান আল মাহমুদ, শফিক আদনান, সৈয়দ হাসান মাহমুদ শমসের, শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মশিউর রহমান চৌধুরী, মো. হোসেন, জহুর আহমেদ, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবদুল আহাদ, আবু তাহের, শহিদুল আলম, নির্বাহী সদস্য আবুল মনসুর, গাজী শফিউল আজিম, সৈয়দ আমিনুল হকসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নিজস্ব, প্রতিবেদক, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।