আইনজীবির কোভিট পরীক্ষায় ভুল রিপোর্ট, ক্ষতিপূরণে আইনি নোটিশ


আপডেটের সময়ঃ এপ্রিল ৭, ২০২১


চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর এড. আবদুস সাত্তারের কোভিড-১৯ রিপোর্ট ভুল দেয়ায় মানসিক হয়রানি ও ক্ষতিপূরনের জন্য নমুনা সংগ্রহকারী হাসপাতালকে উকিল নোটিশ দেয়া হয়েছে। এড. আবদুস সাত্তারের পক্ষে সুপ্রীম কোর্ট অব বাংলাদেশের এড.আহসানুল হক হেনা ২০ লক্ষা টাকা ক্ষতিপূরণে বুধবার ঢাকার বনানীর প্রভা হেলথ এন্ড ডায়াগনষ্টিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ওই ডায়াগনষ্টিকের রিপোর্ট প্রস্তুতকারী ডা. জাহেদ হোসাইন ও ওই ডায়াগনষ্টিকের জুনিয়র সাইনটেফিক অফিসার রেজোয়ান আল রিমনকে এই নোটিশ প্রেরণ করেন।

নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, এড. আবদুস সাত্তার হার্টের সমস্যার কারণে চট্টগ্রামের চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ঢাকায় এনজিও গ্রাম করতে গেলে জানতে পারেন কোভিড-১৯ টেস্ট ব্যতিত এনজিওগ্রাম করা সম্ভব নয়। তাই তিনি বনানীর প্রভা হেলথ এন্ড ডায়াগনষ্টিকের অধীনে মিরপুরসস্থ কালেকশন সেন্টারে বিগত ২০ মার্চ বিকেল চারটায় নমুনা প্রদান করেন এবং ২১ মার্চ কোভিট-পজেটিভ রিপোর্ট দেয়া হয়। ওই দিন নমুনা পরীক্ষা করা হলেও রিপোর্ট উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট কালেকশন ২১ মার্চ বেলা দেড়টায়। হইাতে এড. আবদুস সাত্তারের সন্দেহ হয়। উক্ত রিপোর্ট আসার পর তাঁর পরিবার পরিজন নিয়ে বিপদগ্রস্থ ও আতংক হয়ে পড়েন। কোভিডের কোন লক্ষণ দেখা না গেলেও ওই ডায়গনষ্টিকের রিপোর্ট সন্দেহ হওয়ায় পুরনরায় ঢাকাস্থ এএমজেড হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করান। যাহাতে নেগেটিভ আসে। হইাতে প্রমান হয় নমুনা সংগ্রহ অনুযায়ী ওই ডায়গনষ্টি রিপোর্ট প্রদান করেননি। এছাড়া নমুনা পরীক্ষায় বনানীর প্রভা হেলথ এন্ড ডায়াগনষ্টিকের বিকাশ একাউন্টে ৩৪শ’৭৫ টাকা প্রদান করা হয়েছে বলে নোটিশে উল্লেখ রয়েছে। পরে এড. আবদুস সাত্তার আরো জানতে পারেন, এভাবে ওই ডায়াগনষ্টিক মানুষের সাথে এমন প্রতারণা করেছেন। ওই ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্ট প্রদান করে এড. আবদুস সাত্তারের সাথে প্রতারণা করেছেন। ফলে এড. আবদুস সাত্তার ২০ লক্ষ টাকা আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ওই ডায়াগনষ্টিক ফৌজদারী আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে নেটিশে উল্লেখ রয়েছে।

নোটিশে এরা উল্লেখ রয়েছে, এড. আবদুস সাত্তার এএনজেড হাসাপাতালের রির্পোর্ট পাওয়ার পর মিরপুরস্থ ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশ এন্ড রির্চার্স সেন্টারে এড. আবদুস সাত্তার ভর্তি হন। উক্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় তাঁহার হার্টে দুইটি রিং প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু ওই ডায়াগনষ্টিকের রির্পোট অনুয়ায়ী এড. আবদুস সাত্তার রিং স্থাপন থেকে বিরত থাকতেন তবে তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ায় সম্ভবনা ছিল। তাই উক্ত নোটিশ প্রাপ্তির দশ দিনের মধ্যে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান পূর্বক এড. আবদুস সাত্তার থেকে প্রাপ্তি স্বীকার করে নিতে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। না হলে এড. আবদুস সাত্তার ক্ষতিপূরণ আদায় করতে ওই ডায়াগনষ্টিকের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতে মামলা করার কথা উল্লেখ করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফোকাস চট্টগ্রাম ডটকম

পরিবার ও দেশকে সুস্থ রাখতে ঘরে থাকুন, করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। সৌজন্যেঃ দেশচিত্র ডটনেট।